Search Here

বিভিন্ন ধরণের সাইবার বুলিং
→ ডি এস এ

ডিজিটাল ডিভাইস যেমন মোবাইল ফোন, কম্পিউটার কিংবা ট্যাবলেট’এ যখন কেউ বুলিং বা গালিগালাজ করে তখন তাকে সাইবার বুলিং বলে। এস এম এস, টেক্সট, সোশ্যাল মিডিয়া, ফোরাম, গেমিং এসব জায়গায় যেখানে একসাথে অনেক লোক অংশগ্রহণ করতে পারে কিংবা কন্টেন্ট শেয়ার পারে সাইবার বুলিং এর মত অপরাধ সংঘটিত হয়। সামাজিক মাধ্যমে কারও ব্যাপারে নেতিবাচক কোন কিছু বলা, কাউকে বিব্রতকর বার্তা বা কন্টেন্ট পাঠানো, কারও ব্যাপারে মিথ্যা বা বানোয়াট কিছু পোস্ট করা প্রভৃতি কর্মকান্ড সাইবার বুলিং এর অন্তর্ভুক্ত। কাউকে হেয় করার উদ্দেশ্যে বা অপমান করার উদ্দেশ্যে তার ব্যক্তিগত তথ্য পাবলিকলি প্রচার করা হলে সেটিও সাইবারবুলিং হিসেবে গণ্য হয়। সাধারণত নিম্নোক্ত জায়গাগুলোতে সাইবারবুলিং সংঘটিত হয়ে থাকে –সোশ্যাল মিডিয়া – ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, স্নাপচ্যাট এবং টিক টকটেক্সট মেসেজিং এবং মেসেজিং অ্যাপইনস্ট্যান্ট মেসেজিং, ডিরেক্ট মেসেজিং এবং অনলাইন চ্যাটিংঅনলাইন ফোরাম, চ্যাট রুম, মেসেজ বোর্ড (যেমন রেডিট)ইমেইলঅনলাইন গেমিং কমিউনিটিসাইবার বুলিং এর ধরণবিভিন্ন উপায়ে সাইবার বুলিং ঘটে থাকে। বাস্তব কিছু উদাহরণ দিলে এ বিষয়টি আরও বোধগম্য হবে। সাইবারবুলিং এর মত ঘটনাকে সংবেদনশীলতা দিয়ে অনুধাবন করা উচিৎ কেননা এই আপাত তুচ্ছ ঘটনাটি আত্নহত্যার মত জীবননাশী সিদ্ধান্ত নিতে প্ররোচিত করতে পারে। কমন কিছু সাইবার বুলিং পদ্ধতি হলো –অনলাইনে কারও অনুমতি না নিয়ে নুড ফটো শেয়ার করা কারও বিরুদ্ধে মিথ্যা রটানো বা কুৎসা রটানো  অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করামিথ্যা প্রোফাইল ব্যবহার করে কারও তথ্য চুরি করে তা পাবলিকলি প্রকাশ করাকাউকে সুইসাইড বা নিজের ক্ষতি করতে উদ্বুদ্ধ করাকাউকে তুচ্ছজ্ঞান করা বা খাটো করে দেখাইর্ষাপরায়ন হয়ে কারও বিরুদ্ধে নেতিবাচক কন্টেন্ট পাবলিশ করাঅনলাইন গেমিং-এ কারও কোন ব্যক্তিগত তথ্য বা মতামতকে শেয়ার করা বা ঘৃণা ছড়ানোছবিঃ সংগৃহীত

কিভাবে সাইবার বুলিং প্রতিরোধ করবেন
→ ডি এস এ

একজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হিসেবে নানভাবে আপনি সাইবার বুলিং এর শিকার হতে পারেন কিংবা আপনি নিজে সাইবার বুলিং এর মত হীনকাজ করতে পারেন। ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের একজন বাসিন্দা হওয়ার সুবাদে এই ঘটনা অন্তত আপনি প্রত্যক্ষ করবেন এটাই বাস্তবতা। কিন্তু সাইবার বুলিং বা অনলাইন হ্যারাজমেন্ট কিভাবে প্রতিরোধ করা স্বয়ম্ভর এ ব্যাপারে আপনার জানা থাকলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা আপনার জন্য সহজ হবে। এক্ষেত্রে আপনি নিজে বা আপনার সন্তান কিংবা আপনার পরিবারের কোন সদস্য সাইবার বুলিং এর শিকার হচ্ছে কিনা তার ডিভাইস ব্যবহার করা দেখেই অনুমান করতে পারবেন। হঠাত করে ইন্টারনেট ব্যবহার বেড়ে যাওয়া, ঘনঘন মেসেজ করা বা মেসেজের রিপ্লাই দেয়া, মোবাইল ফোনের সাথে মেজাজ দেখানো, লুকিয়ে ডিভাইস ব্যবহার করা, সোশ্যাল মিডিয়া এভয়েড করা কিংবা হঠাত করে ডিপ্রেসড হয়ে যাওয়া ইত্যদি লক্ষণ দেখলে এ আচরণগুলোকে গুরুত্ব নিয়ে দেখুন।সাইবারবুলিং ঘটলে বা ঘটতে দেখলে কি করবেনসাইবার বুলিং একধরণের বুলিং। একে গুরুত্ব দিয়ে দেখুন। আপনি যদি একজন অবিভাবক হয়ে থাকেন তাহলে আপনার আপনার সন্তানের ডিজিটাল বিহেভিয়ার লক্ষ্য করুন। অস্বাভাবিক আচরণ প্রত্যক্ষ করলে নিম্নোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করুন –খেয়াল রাখুনঃ  আপনার সন্তানের বা পরিবারের কোন ছোট সদস্যের মেজাজ খুব দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে কিনা খেয়াল রাখুন। একই সাথে এই মেজাজ খারাপের সাথে তার ডিজিটাল ডিভাইসের কোন সম্পর্ক আছে কিনা বোঝার চেষ্টা করুন।কথা বলুনঃ কথা বলে জানার চেষ্টা করুন কি ঘটেছে, কিভাবে এ ঘটনার সূত্রপাত ঘটলো, কে বা কারা এর সাথে জড়িত জানার চেষ্টা করুন।প্রমাণ রাখুনঃ কোথায় কি ঘটছে তার রেকর্ড রাখুন। সম্ভব হলে ক্ষতিকর পোস্ট বা কমেন্টের স্ক্রিনশট নিয়ে রাখুন। বিভিন্ন আইন ও নীতিমালা বলে যে বুলিং পুনঃ পুনঃ সংঘটিত হয় এমন একটি অপরাধ; সুতরাং আপনি রেকর্ড রাখার সুযোগ নিশ্চয়ই পাবেন।রিপোর্ট করুনঃ অধিকাংশ সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মের নিজস্ব রিপোর্টিং পদ্ধতি আছে। সেগুলো অনুসরণ করুন। প্রয়োজনে সেই সাইটে যোগাযোগ করে অফেনসিভ কন্টেন্টটি রিমুভ করার জন্য বলুন।সাপোর্টঃ সাইবার বুলিং এর শিকার কোন ভিকটিমের জন্য সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে সাপোর্ট। আপনার পরিবারের জুনিয়র সদস্যটির অস্বভাবিক আচরণে ক্ষুব্ধ না হয়ে তার সমস্যাটি বোঝার চেষ্টা করুন। কিভাবে সে এ সমস্যা থেকে বের হয়ে আসতে পারবে সে ব্যাপারে তাকে সাহায্য করুন। সাহস যোগান, মনোবল অটুট রাখতে উৎসাহিত করুন। আপনার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট থাকলে সেখানে ভিক্টিমের ব্যাপারে পজিটিভ কথা বলুন, এত দেখে তার ভালো লাগবে। এছাড়া এটি তার খারাপ অভিজ্ঞতা ভুলতে সহায়তা করবে।  ছবিঃ সংগৃহীত 

সাইবার বুলিং এর রিপোর্ট করবেন কিভাবে
→ ডি এস এ

সাইবার বুলিং ঘটলে সবার আগে সেটার প্রমাণ রাখার চেষ্টা করুন। আপনি যখন সাইবার বুলিং এর রিপোর্ট করবেন তখন এটি কাজে আসবে। সাইবার বুলিং এর ক্ষেত্রে তাৎক্ষনিক করনীয়বুলিং মেসেজ বা পোস্টে রেস্পন্ড করা থেকে বিরত থাকুন।সাইবারবুলিং মেসেজটি ফরোয়ার্ড করবেন না।সাইবারবুলিং এর প্রমাণ সংরক্ষণ করুন। ঘটনার দিন, সময় ও কি ঘটেছে তা লিখে রাখুন। পাবলিক পোস্ট, ইমেইল বা টেক্সট মেসেজের স্ক্রিনশট নিয়ে শেভ করুন বা প্রিন্ট করুন। রিপোর্ট করার সময় এগুলো প্রমাণ হিসেবে যুক্ত করুন।যে ব্যক্তি বুলিং করছে তাকে ব্লক করে দিন।   অনলাইন সার্ভিস প্রোভাইডারকে রিপোর্ট করুনসাইটের টার্মস এন্ড কন্ডিশনটি পেজটি রিভিউ করুন। কোন কন্টেন্টি সঠিক বা কোনটি সঠিক নয় তা এখানে উল্লেখ করা করা থাকে।সোশ্যাল মিডিয়া সেফটি সেন্টার ভিজিট করুন। কিভাবে একজন ইউজারকে ব্লক করবেন বা আপনার সাথে কন্টাক্ট কিভাবে কন্ট্রোল করা যাবে এখানে সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেয়া থাকে।সোশ্যাল মিডিয়া সাইটকে আপনার সাইবার বুলিং বিষয়টি অবহিত করুন। তারা উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে অবহিত করুনসাইবারবুলিং এর ঘটনাটি যখন অপরাধ মনে হবে তখন আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে অবহিত করুন। আইন প্রয়োগ হয় এমন কিছু সাইবার বুলিং অপরাধ হলো -সহিংসতার ইঙ্গিত বহনকারী বুলিংনিষিদ্ধ বা যৌন হয়রানীমূলক মেসেজ বা ছবি’র ব্যবহারযখন কেউ ব্যক্তিগত স্পেসে রয়েছেন তখন তার অনুমতি ব্যতীত ছবি বা ভিডিও ধারণ করাস্টকিং এবং ঘৃণা ছড়ানোছবিঃ সংগৃহীত

কিভাবে বুঝবেন যে আপনার একাউন্ট হ্যাকড হয়েছে
→ ডি এস এ

আপনি যদি নিশ্চিত না হোন কিংবা আপনার যদি মনে হয় যে আপনার সাইটটি কোন কারণে ফ্লাগড হয়ে আছে তাহলে সার্চ কনসোলে( http://search.google.com/search-console/ ) আপনার সাইটটি রেজিস্টার করুন। এরপর সিকিউরিটি ইস্যুজ (https://search.google.com/search-console/security-issues) সেকশনে গিয়ে আপনার সাইটের ইউআরএল দিয়ে সার্চ করুন। আপনার সাইটটি হ্যাকড হয়ে থাকলে গুগল তা সনাক্ত করবে।যদি আপনার ব্যবহৃত ইউআরএল দিয়ে আপনার সাইটের কন্টেন্ট ভিজিবল না হয় তাহলে বুঝবেন আপনার কন্টেন্টি ক্লকড করা হয়েছে। ক্লকিং হ্যাকিং এর একটি টেকনিক। ভিন্ন ভিন্ন কনটেন্ট ভিন্ন ভিন্ন ইউজারকে শো করার মাধ্যমে ক্লকিং সাইট ক্লিনিং কে আরও জটিল করে। যেমন, আপনি আপনার সাইটের কোন পেজে গিয়ে দেখলেন সেখানে কোন কনটেন্ট নেই। এতে করে আপনি নিশ্চিত হবেন যে আপনার হ্যাকড কনটেন্ট গায়েব হয়ে গেছে। যদিও গুগল এক্সেস এর মত সার্চ ইঞ্জিন স্প্যামযুক্ত শব্দ এবং লিঙ্ক দেখাতে পারে।ক্লকিং চেক করতে https://support.google.com/webmasters/troubleshooter/6155978 এই লিঙ্ক  ব্যবহার করুন। ট্রাবলশুটার আপনাকে site: সার্চ অপারেটর এবং https://support.google.com/webmasters/troubleshooter/6155978 - এই লিঙ্কে নিয়ে যাবে যেখান থেকে আপনি হ্যাকড কনটেন্ট আনকভার কভার পারবেন।এভাবে ডাবল চেক করার পরও আপনার মনে সন্দেহ থাকলে তাহলে নিচের লিঙ্কে পোস্ট করুন –https://productforums.google.com/forum/#!forum/webmasters  ভিডিও লিংকঃ  https://youtu.be/oPsOZI8x5VMছবিঃ সংগৃহীত

একাউন্ট হ্যাক হলে করণীয়
→ ডি এস এ

আপনার কোন বন্ধু বা নিকট আত্নীয়ের ইয়াহু, জিমেইল, ফেইসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটস অ্যাপ, ভাইবার, ইমো বা অন্য কোন একাউণ্ট হ্যাক হতে পারে। এমন ক্ষেত্রে হ্যাকার ব্যক্তিটি হ্যাক হওয়া একাউন্ট থেকে আপনার বন্ধু বা আত্নীয় সেজে আপনাকে মেসেজ দিয়ে জানাবে যে সে কোন মারাত্নক বিপদে বা সমস্যায় আছে। তার কিছু টাকা প্রয়োজন। আপনাকে অনুরোধ করবে বিকাশে কিছু টাকা পাঠাতে। আপনি হয়তো আপনার ঐ বন্ধু বা আত্নীয়ের বিপদ বা সমস্যার কথা ভেবে যাচাই না করেই তাকে টাকা পাঠিয়ে দিলেন। পরে জানতরে পারলেন যে আসলে আপনার সেই বন্ধু বা আত্নীয় আপনার কাছে কোন টাকাই চায়নি। তার একাউন্ট হ্যাক করে অন্য কেউ এ কাজ করেছে।এক্ষেত্রে করণীয়এ ধরণের মেসেজ আসলে আপনার যদি বিষয়টি অস্বাভাবিক মনে হয়, তাহলে প্রথমে আপনার ঐ বন্ধু বা আত্নীয়কে কল করুন। সে কল রিসিভ না করলে বা তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেলে এমন কাউকে কল করুন যিনি হয়তো তার বর্তমান অবস্থান এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে আপনাকে তথ্য দিতে পারবেন। এমন পরিস্থিতিতে পুরোপুরি নিশ্চিত না হয়ে আর্থিক লেনদেন না করাই শ্রেয়। এবং প্রতারণার শিকার হলে অবশ্যই পুলিশকে অবহিত করুন।ছবিঃ সংগৃহীত 

হ্যাকিং প্রতিরোধ করার উপায়
→ ডি এস এ

অনলাইন দুনিয়ায় হ্যাকিং একটি পরিচিত ঘটনা। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, পাসওয়ার্ড, ডকুমেন্টস ইত্যাদি চুরি করার জন্য ওত পেতে থাকে সাইবার ক্রিমিনালরা। তবে এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কিছু নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করেই আপনি হ্যাকিং প্রতিরোধ করতে পারেন। এমন কিছু উপায় হলো -   সোশ্যাল মিডিয়া বিশেষ করে ফেসবুক একাউন্ট খোলার সময় আপনার যে মোবাইল নম্বর বা ইমেইল এড্রেস ব্যবহার করবেন সেগুলো সবসময় চালু রাখুন। কেননা হ্যাকার আপনার একাউন্টের পাসওয়ার্ড বা ইমেইল এড্রেস পরিবর্তন করলে সাথে সাথেই ফেসবুক হতে ইমেইল পাঠিয়ে (একাউন্ট হোল্ডারকে) সতর্ক করে একটি রিকোভারি লিঙ্ক পাঠিয়ে দেয়; তাতে ক্লিক করে সহজেই হওয়া আইডি রিকভার করা সম্ভব।সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (F2A) অপশনটি চালু রাখুন। এজন্য ফেসবুকের সেটিংস অপশনে security and login অপশনে থাকা two-factor authentication এ গিয়ে মোবাইল নম্বর কিংবা ইমেইল যুক্ত করুন।  সরল/দুর্বল পাসওয়ার্ড ব্যবহার না করে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। ব্যক্তিগত তথ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট তথ্য (জন্মতারিখ, নিজের নাম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ইত্যাদি) পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।Capital letter, Small Letter, Number & Symbol মিলিয়ে কমপক্ষে ১২ ক্যারেক্টারের শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন।ফেসবুকের ক্ষেত্রে Trusted Contact এ ৩ থেকে ৫ জন ঘনিষ্ঠ ফেসবুক বন্ধুকে যুক্ত রাখুন। এর ফলে আইডি হ্যাক হয়ে গেলেও তা উদ্ধার করা সহজ হবে।সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট খোলার সময় জাতীয় পরিচয়পত্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নাম ও জন্মতারিখ ব্যবহার করুন। এতে আপনার আইডি হ্যাক হলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা সহজ হবে।জন্ম তারিখ, ফোন নাম্বারসহ অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য উন্মুক্ত রাখবেন না। এতে বিভিন্ন রকমের হয়রানি ও প্রতারণা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখা সহজ হবে।ফেসবুকের ক্ষেত্রে Privacy Settings অপশনটি ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি, পোস্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। প্রয়োজনে প্রোফাইল লক করে রাখুন।স্ট্যাটাস, ছবি ইত্যাদি সতর্কতার সাথে এবং প্রাইভেসি নিশ্চিত করে শেয়ার করুন। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের জীবনাচরণকে যতবেশি উন্মুক্ত করবেন আপনি ততবেশি ঝুঁকিতে পরবেন।ছবিঃ সংগৃহীত

ফেক আইডি সনাক্ত করার উপায়
→ ডি এস এ

সামাজিক মাধ্যমে ফেসবুকে ফেক একাউন্ট একটা এই সময়ের একটি কমন ট্রেন্ড। নিজের পরিচয় গোপন করে ভিন্ন পরিচয় ও তথ্য দিয়ে যে একাউন্ট খোলা হয় সেটাই ফেক একাউন্ট। অনেকে মেয়ে সেজে অন্যদের বোকা বানোনোর জন্য ফেক আই ডি তৈরি করে। অনেকে নিজের পরিচয় গোপন রেখে অন্যদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য ফেক আই ডি তৈরি করে। এদের মধ্যে আবার অপরাধী লুকিয়ে থাকে যারা তাদের পরিচয় লুকিয়ে অপরাধ করে যায়।ফেক আইডি সনাক্ত করা অনেক জটিল কোন বিষয় নয়। সামান্য কিছু কৌশল অবলম্বন করেই এ ধরণের ফেক আইডি সনাক্ত করা সম্ভব। যেমন - প্রোফাইল নামঃ শুধু নাম দিয়েই একটি একাউন্ট ফেক কিনা এটা জানা যায় না তবু অধিকাংশ ফেক একাউন্ট কমন কিছু নাম আছে সেগুলো ব্যবহার করে। যেমন রাতের তারা, প্রিন্সেস, কুইন প্রভৃতি। একটু খেয়াল করে দেখবেন এই নামগুলো কোন ব্যক্তির প্রকৃত নাম নয়, কেউ যেন এই নাম দিয়ে ছদ্মবেশ ধারণ করতে চেয়েছেন। প্রকৃতি থেকে ধার করা এসব নাম হতে পারে ফেক একাউন্ট চেনার প্রাথমিক উপায়।URL নামঃ আপনার ফেসবুক প্রোফাইল আপনার নামটি আলাদাভাবে সনাক্ত করার জন্য একটি কাস্টম ফেসবুল প্রোফাইল লিঙ্ক বা URL তৈরি করে। ফেসবুকের এই প্রোফাইল URL খুব কম সময়ই পরিবর্তন করা যায়। এমন অনেক সময় ঘটে যে ফেক আই ডি যিনি করেছেন তিনি প্রোফাইল URL এর নাম পরিবর্তন করতে ভুলে যান। একটি ফেক একাউন্টের URL এর নাম এবং প্রোফাইলের নাম ভিন্ন হলে অনুমান করা যায় যে একাউন্টটি ফেক।প্রোফাইল ফটো ও কাভার ফটোঃ কোন একাউন্ট দেখে আপনার সন্দেহ হলে একাউন্টটের প্রোফাইল ফটো বা কভার ফটোটি ডাউনলোড করে সেই ইমেজ দিয়ে গুগলে সার্চ করলে ছবিটির অরিজিনাল তথ্য বেরিয়ে আসবে। সেখান থেকে ব্যক্তিটির প্রকৃত পরিচয় জানার মাধ্যমে আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন যে একাউন্টটি ফেক নাকি অরিজিনাল।টাইমলাইনের পোস্টঃ ফেক আইডি’র টাইমলাইনে ঐ ব্যক্তি নিজের ছবি বা স্ট্যাস্টাস খুব কম শেয়ার করেন। এমন অনেক প্রোফাইল আছে যা অন্য কোন ওয়েবসাইটের তথ্য লিঙ্ক হিসেবে শেয়ার করেন। যদি দেখেন যে কোন ব্যক্তি একই ওয়েবসাইটের তথ্য বারবার শেয়ার করেছেন তাহলে উক্ত ওয়েবসাইটটি কার সেটা দেখেও আপনি অনুমান করতে পারবেন যে আই ডি’র ব্যক্তিটি সম্পর্কে। পোস্টের কমেন্টঃ সন্দেহজনক আইডিটির টাইমলাইনে গিয়ে তার দেয়া ছবি বা পোস্টে কে বা কারা কি কমেন্ট করছে তা থেকেই ব্যক্তিটি সম্পর্কে কিছু তথ্য পাওয়া যায়। যদি দেখেন যে কোন কমেন্ট বা ইম্প্রেশন নেই বললেই চলে তাহলেও আই ডি টি ফেক আমন সন্দেহ করতে পারেন।ফ্রেন্ড লিস্ট ও মিউচুয়াল ফ্রেন্ডঃ ফেক আই ডি’র ফ্রেন্ড লিস্ট খুব এলোমেলো থাকে। ভিন্ন ভিন্ন এলাকা থেকে ভিন্ন ভিন্ন টাইপের মানুষ তার ফ্রেন্ড হিসেবে থাকে। এমনকি গ্রুপ ছবিতেও তার এসব ফ্রেন্ডদের দেখা যায় না। এছাড়া ঐ ব্যক্তির সাথে আপনার মিউচুয়াল ফ্রেন্ডও খুব কম পাবেন।তাই কোন একাউন্ট থেকে আপনার কাছে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট আসলে ঐ ব্যক্তির নাম, URL লিঙ্ক, প্রোফাইল ও কভার ফটো, স্ট্যটাস এবং ফ্রিনফ লিস্ট ইত্যাদি চেক করে একাউন্ট সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে তারপর রিকোয়েস্টটি এক্সেপ্ট করুন।ছবিঃ সংগৃহীত

ফেক আইডি’র ক্ষেত্রে করনীয়
→ ডি এস এ

কোন একাউন্টের ব্যাপারে আপনি যদি নিশ্চিত হন তাহলে সেই একাউন্টটি আপনি রিপোর্ট করতে পারেন। ফেসবুকের নিজস্ব রিপোর্ট প্রক্রিয়া আছে। সেখানে গিয়ে ফেক আইডি’র রিপোর্ট করলে ফেসবুক অথরিটি সেই একাউন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে। ফেসবুকের ফেক আই ডি রিপোর্ট করার নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করুন। যে প্রোফাইলটি আপনি ফেক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন তার কভার ফটোর নিচে থাকা [...] এই বাটনটিতে ক্লিক করুন। এরপর Find Support or Report Profile সিলেক্ট করুন।বেশ কিছু অপশনসহ একটি নতুন উইন্ডো আসবে। সেখান থেকে আপনার পছন্দের অপশন সিলেক্ট করে Next বাটনে ক্লিক করুন।এরপর আপনি একটি কনফার্মেশন পাবেন যেখানে লেখা থাকবে যে আপনি সফলভাবে একাউন্টটিকে রিপোর্ট করেছেন। ফেসবুকে এ ধরণের রিপোর্টিং ফেসবুকে কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডের বিরোধী হিসেবে গণ্য করা হয় তবু একাধিক আকাউন্ট থেকে কোন আইডি বারবার রিপোর্ট করা হলে ঐ আইডিটি ফেসবুক থেকে ডিলিট করে দেয়া হয়। রিপোর্ট করা ছাড়াও আপনি ফেক আইডি থেকে বাঁচতে আইডি টি ব্লক করতে পারেন কিংবা ঐ ব্যক্তি থেকে আপনার সব পোস্ট হাইড করে রাখতে পারেন।ছবিঃ সংগৃহীত

ফোন হারিয়ে গেলে কি করবেন
→ ডি এস এ

কাজের সুবিধার জন্য আপনি হয়তো আপনার মোবাইলটি সাইলেন্ট করে রেখেছিলেন। এরপর অফিস থেকে ফেরার পথে কিংবা অফিসেই ফোনটি রেখে এসেছিলেন কিনা মনে করতে পারছেন না। এদিকে ফোনে কল করেও কোন রেসপন্স পাচ্ছেন না। এবং এক সময় আপনার ফোনটি সুইচ অফ দেখাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আপনার ফোনটি হারিয়ে গেছে এমনটাই অনুমান করা স্বাভাবিক। আপনি হয়তো ভাবছেন আপনার ফোনে এত তথ্য রয়েছে আপনার কেউ যদি সেগুলো পেয়ে যায় তাহলে ক্ষতি হবে আপনার। কিন্তু আপনি চাইলে এখনো আপনার ফোনের হদিস করতে পারেন। এমনকি আপনার ফোনের ডাটাও মুছে ফেলতে পারেন।হারিয়ে যাওয়ার পরেও আপনার ফোনের অবস্থান বের করা, ফোনটি লক করা, এমনকি ফোনের ডাটা মুছে দেয়া এগুলো সব সম্ভব করার উপায় বের করেছে গুগল। এজন্য আপনার ফোনটি কখন হারাবে এর জন্য অপেক্ষা না করে গুগলের নিম্নোক্ত শর্তগুলো মেনে চলুন –ফোন সবসময় চালু রাখুনগুগল একাউন্টে সাইন ইন থাকুনমোবাইল ডাটা বা Wi-Fi এর সাথে কানেক্টেড থাকুনগুগল প্লে তে ভিজিবল থাকুনআপনার ফোনের লোকেশন সার্ভিস অন্য রাখুন এবংআপনার ফোনে Find My Device অপশনটি চালু রাখুনআপনার ফোনে যদি 2-step verification চালু থাকে তাহলে ব্যাক আপ ফোন সঙ্গে রাখুন।  ছবিঃ সংগৃহীত

হারানো ফোন খুঁজে পাওয়ার উপায়
→ ডি এস এ

আমাদের অনেকেরই ফোন হারিয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে ফোন হারিয়ে গেলে তা ফিরে পাওয়ার আশা আমরা ছেড়েই দেই। কিন্তু গুগল আপনার হারানো ফোনের হদিস বের করার উপায় বের করেছে। গুগলের এই সার্ভিস পাওয়ার জন্য ফোন আপনার ফোনের কিছু অপশন চালু রাখতে হবে। (দেখুনঃ ফোন হারিয়ে গেলে কি করবেন [লিংক] আপনার এন্ড্রয়েড সেটটি এই মুহুর্তে কোথায় আছে এটা জানার জন্য নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করুন –প্রথমে https://android.com/find এই লিঙ্কে প্রবেশ করুন এবং আপনার গুগল একাউন্টে সাইন ইন করুন।আপনার একাধিক ফোন থাকলে স্ক্রিনের উপরের লস্ট ফোন বাটনে ক্লিক করুন।আপনার হারিয়ে ফোনে একাধিক ইউজার প্রোফাইল থাকলে আপনার মুল প্রোফাইলের গুগল একাউন্টে সাইন ইন করুন।আপনার হারিয়ে যাওয়া ফোনটিতে একটি নোটিফিকেশন পৌঁছাবে।এছাড়াও আপনার ফোন গুগলের সাথে লিঙ্ক করা থাকলে google.com এ গিয়ে find my phone দিয়ে সার্চ করে ফোনটি খুঁজে বের করতে বা রিমোটলি ফোনের রিং অন করতে পারবেন।ছবিঃ সংগৃহীত

হারানো ফোনের ডাটা মুছে ফেলার উপায়
→ ডি এস এ

আপনার এন্ড্রয়েড সেটটি এই মুহুর্তে কোথায় আছে এটা জানার জন্য প্রথমে https://android.com/find এই লিঙ্কে প্রবেশ করুন এবং আপনার গুগল একাউন্টে সাইন ইন করুন। এতে আপনার হারিয়ে যাওয়া ফোনটিতে একটি নোটিফিকেশন পৌঁছাবে। এরপর ম্যাপে আপনি আপনার ফোনের লোকেশন দেখতে পাবেন। আপনার ফোনের এই অবস্থান শতভাগ সঠিক না হলেও কাছাকাছিই হবে। যদি আপনার ফোনের লোকেশন না দেখা যায় তবুও অন্তত আপনার ফোনের সর্বশেষ অবস্থান আপনি ম্যাপে দেখতে পাবেন।  এরপর নিচের অপশনগুলো থেকে আপনার পছন্দের অপশন সিলেক্ট করুন। প্রয়োজন হলে প্রথমেই Enable lock & erase বাটনে ক্লিক করুন। এছাড়াও রিমোটলি আপনার ফোনের যেসকল অপশন আপনি ব্যবহার করতে পারবেন সেগুলো হলো –Play Sound: হারানোর আগে আপনার ফোন সাইলেন্ট বা ভাইব্রেশন মুডে থাকলেও ৫ মিনিট ধরে আপনার ফোনের সর্বোচ্চ সাউন্ড ব্যবহার করে রিংগিং সাউন্ড প্লে করতে পারেন।Source Device:  আপনার পিন, পাসওয়ার্ড বা প্যাটার্ন ব্যবহার করে ফোনটি লক করে দিতে পারেন। আগে থেকে আপনার ফোনে কোন লক না থাকলেও এসময় আপনি লক সেট করতে পারবেন। এবং লক স্ক্রিনে আপনি মেসেজ বা ফোন নাম্বারও চাইলে এড করতে পারেন। Erase Device: আপনার ফোনের সমস্ত ডাটা স্থায়ীভাবে ডিলিট করতে পারেণ। তবে আপনার এস ডি কার্ডের ডাটা হয়তো ডিলিট হবে না। মনে রাখবেন ডাটা মুছে দেয়ার পর আপনার ফোনের Find My Device অপশনটি আর কাজ করবে না।ছবিঃ সংগৃহীত

আপনার আই ফোনটি হারিয়ে গেলে খুঁজে পাবেন কিভাবে
→ ডি এস এ

আপনার হারিয়ে যাওয়া আই ফোনের হদিস জানতে আপনাকে আগে থেকে যেসব বিষয়ে নজর রাখতে হবে সেগুলো হলো –আপনার আই ফোনটি আপডেট রাখুন। iOS 13 বা পরবর্তি ভার্শন ব্যবহার করুন।Apple Watch আপডেট রাখুন।লোকেশন সার্ভিস এবং Find My Device অপশন চালু রাখুন।কিভাবে খুঁজে বের করবেন  আপনার ডিভাইসটি হারিয়ে যাওয়ার আগে আপনি যদি Find My Device অপশন চালু রাখেন তাহলে এই অপশনটি ব্যবহার করেই আপনি আপনার আই ফোন খুঁজে বের করতে পারবেন। এছাড়াও আপনার ফোনের Offline Findings অন্য রাখার সুবাদে আপনার আই ফোনটি কোন নেটওয়ার্কের সাথে কানেক্টেড না থাকলে তা খুঁজে বের করতে পারবেন।আপনার আই ফোন টি ম্যাপে খুঁজে বের করার জন্যFind My App ওপেন করুন।Device ট্যাব বাছাই করুন।  ম্যাপে লোকেশন দেখার জন্য Device টি সিলেক্ট করুন।আপনার ফোনে রিং বাজানোর জন্যFind My App ওপেন করুন।Device ট্যাব বাছাই করুন। আপনার হারিয়ে যাওয়া Device টি সিলেক্ট করুন এবং Play Sound অপশনটি বেছে নিন। এক্ষেত্রে আপনার ফোনটি অফলাইনে থাকলে কোন রিং হবে না। তবে কোন নেটওয়ার্কের সাথে কানেক্টেড থাকলে রিং হবে।ম্যাপে আপনার ফোনের ডিরেকশন পেতে Find My App ওপেন করুন। Device ট্যাব বাছাই করুন।আপনার হারিয়ে যাওয়া Device টি সিলেক্ট করুন এবং ম্যাপে আপনার ফোনের অবস্থান দেখতে Directions সিলেক্ট করুন।  ছবিঃ সংগৃহীত

বিভিন্ন ধরণের ম্যালওয়্যার
→ ডি এস এ

ম্যালওয়্যার বা মেইলিসিয়াস সফটওয়্যার হল এক ধরণের প্রোগ্রাম বা ফাইল যা আপনার কম্পিউটারের ক্ষতি করতে পারে। বিভিন্ন ধরণের ম্যালওয়্যারের মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার ভাইরাস, ওয়ার্মস, ট্রোজান হর্স, স্পাইওয়্যার ইত্যাদি। এসব মেইলিসিয়াস প্রোগ্রাম আপনার ডিভাইসের সেনসিটিভ ডাটা চুরি, এঙ্ক্রিপ্ট বা ডিলিট করতে পারে। এছাড়া আপনার অনুমতি ছাড়াই এরা আপনার কম্পিউটারের কোর ফাংশন মনিটর, অলটার বা হাইজ্যাক করতে পারে।   বিভিন্ন ধরণের ম্যালওয়্যারভাইরাসঃ ভাইরাস হচ্ছে সবচেয়ে কমন টাইপ অফ ম্যালওয়্যার। এরা নিজে থেকেই অন্যান্য প্রোগ্রাম বা ফাইলে ঢুকে সেগুলোকে ইনফেক্ট করতে পারে।ওয়ার্মঃ ওয়ার্ম কোন ধরণের হোস্ট ছাড়াই নিজে থেকেই রেপ্লিকেট করতে পারে। এরা মানুষের সাহায্য ছাড়াই বিস্তার লাভ করতে পারে।ট্রোজান হর্সঃ ট্রোজান দেখতে নরমাল প্রোগ্রামের মতই কিন্তু একবার ইন্সটল করে ফেললে ট্রোজান আপনার সিস্টেমে তার মেলিসিয়াস ফাংশন শুরু করে দেবে।স্পাইওয়্যারঃ ইউজারের নজর ফাকি দিয়ে তার ডিভাইস থেকে ডাটা এবং ইনফরমেশন চুরি করার উদ্দেশ্যে স্পাইওয়্যার ব্যবহার করা হয়।র‍্যানসম ওয়্যারঃ ইউজারের সিস্টেম ইনফেক্ট করে ডাটা এনক্রিপ্ট করার উদ্দেশ্যে র‍্যানসম ওয়্যার ব্যবহার করা হয়। সাইবার ক্রিমিনালরা এই এনক্রিপ্টেড ডাটা ডিক্রিপ্ট করার জন্য ভিক্টিমের কাছ থেকে অর্থ দাবী করে।রুটকিটঃ ভিক্টিমের সিস্টেমে এডমিনিস্ট্রেশন লেবেলে এক্সেস পাওয়ার জন্য রুটকিট ব্যবহার করা হয়। এবং ইন্সটল করার পরপরই এরা সাইবার ক্রিমিনালদের ভিক্টিমের সিস্টেমের এক্সেস তৈরি করে দেয়।এড ওয়্যারঃ ইউজারের ব্রাউজার ও ডাউনলোড হিস্টরি ট্রাক করার জন্য এড ওয়্যার ব্যবহার করা হয়। সাধারণত পপ আপ বা ব্যানার অ্যাডাভার্টাইজমেন্ট দিয়ে উইজারকে পার্চেসের লোভ দেখায় এই মেল ওয়্যার। যেমন কোন কোন ওয়েবসাইট আপনার ওয়েব পেজ ট্রাক করার জন্য কুকিজ ব্যবহার করতে পারে।কী লগারঃ একজন ইউজার তার কম্পিউটারের কি কি করছে প্রায় সব কিছুই মনিটর করার জন্য এই ম্যালওয়্যার ব্যবহার করা হয়। এরা আপনার ইমেইল, ওয়েব পেজ, প্রোগ্রাম, কি স্ট্রোকস সবকিছু মনিটর করার ক্ষমতা রাখে।ছবিঃ সংগৃহীত

ম্যালওয়্যার সনাক্ত করার উপায়
→ ডি এস এ

ডিভাইসের অস্বাভাবিক আচরণ থেকে ম্যালওয়্যার সনাক্ত করা যায়। যেমন -  হটাত করে ডিস্ক স্পেস কমে যাওয়া, অস্বাভাবিক ধীর গতি, বারবার ক্রাশ করা, হঠাত ফ্রিজ হয়ে যাওয়া, ইন্টারনেট এক্টিভিটি বেড়ে যাওয়া, অনেক বেশি পপ আপ এডভার্টাইজমেন্ট আসা প্রভৃতি আচরণ থেকে ম্যালওয়্যারের উপস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।ম্যালওয়্যার সনাক্তকরন এবং রিমুভ করার জন্য এন্টিভাইরাস টুল ব্যবহার করতে পারেন। এন্টিভাইরাস টুল আপনার ডিভাইসকে রিয়েল-টাইম প্রোটেকশন দিতে পারে। এমনকি এই টুল রুটিন সিস্টেম স্ক্যান করার মাধ্যমে ম্যালওয়্যার সনাক্ত ও রিমুভ করতে পারে।উইন্ডোজ ডিফেন্ডারউইন্ডোজ ডিফেন্ডার একটি মাইক্রোসফট এন্টি ম্যাল ওয়্যার সফটওয়্যার যা উইন্ডোজ টেন অপারেটিং সিস্টেমে এভেইলেবল রয়েছে। স্পাই ওয়্যার, এড ওয়্যার এবং ভাইরাস – এর আক্রমণ থেকে উইন্ডোজ ডিফেন্ডার আপনার কম্পিউটারকে সুরক্ষিত রাখে। আপনি চাইলে Quick অথবা Full অটোম্যাটিক স্ক্যান সেট করতে পারেন এবং পাশাপাশি লো, মিডিয়াম, হাই এবং সিভিয়ার প্রায়োরিটি এলার্টও সেট করতে পারেন।ম্যালওয়্যারবাইটস  উইন্ডোজ, ম্যাক ওএস, এন্ড্রয়েড এবং আইওএস প্লাটফর্ম থেকে ম্যালওয়্যার রিমুভ করার আরেকটি টুল হচ্ছে ম্যালওয়্যারবাইটস। ম্যালওয়্যারবাইটস ইউজারের রেজিস্ট্রি ফাইলস, রানিং প্রোগ্রাম, হার্ড ড্রাইভ এবং ইন্ডিভিজুয়াল ফাইল – সব কিছু স্ক্যান করতে পারে। ম্যাল ওয়্যার পাওয়া গেলে ম্যালওয়্যারবাইটস সেগুলো ডিলিট করে এবং আপনার ডাটা কোয়ারেন্টাইন করে।     ছবিঃ সংগৃহীত 

ম্যালওয়্যার রেসপন্স সিস্টেম
→ ডি এস এ

কম্পিউটার ভাইরাস, ওয়ার্মস, ট্রোজান হর্স, স্পাইওয়্যার ইত্যাদি ম্যালওয়্যার আপনার সিস্টেমে প্রবেশ করে  আপনার ডিভাইসের সেনসিটিভ ডাটা চুরি, এঙ্ক্রিপ্ট বা ডিলিট করতে পারে। এজন্য ম্যালওয়্যার বা মেইলিসিয়াস ইমেইল থেকে সাবধান থাকতে হবে। নিম্নে ম্যালওয়্যার রেসপন্সের কিছু ধাপ সম্পর্কে আলোকপাত করা হলঃসনাক্তকরণঃ ম্যালওয়্যার ইনফেশনের ফলে আপনার কম্পিউটারের কোন অংশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে তা চিহ্নিত করুন।যোগাযোগঃ যখন আপনি নিশ্চিত হবেন যে আপনার কম্পিউটার ম্যালওয়্যার দ্বারা ইনফেক্টেড হয়েছে এবং আপনার কম্পিউটারের কোন অংশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে তাও চিহ্নিত করে ফেলেছেন, তাহলে দেরি না করে দ্রুত কোন আইটি প্রোফেশনালের কাছে পরামর্শ নিন।ব্লকঃ সম্ভব হলে যে সোর্স থেকে ম্যালওয়্যারটি এসেছে সেই সোর্সের এক্সেস বন্ধ করে দিন। সেটা হতে পারে কোন ওয়েবসাইট, ইমেইল বা আই পি এড্রেস।রি-স্টোরঃ এফেক্টেড ডাটা স্ক্যান করে ম্যালওয়্যার রিমুভ করে অন্য কোন নিরাপদ স্থানে রাখুন, যেখানে ম্যালওয়্যার প্রবেশের সম্ভাবনা কম।রিকোভারঃ এভেইলেবল ব্যাক আপ থেকে যতটা বেশি পারা যায় ডাটা রিকোভার করুন। বিশেষ করে আপনি যদি র‍্যানসম ওয়্যার এর শিকার হয়ে থাকেন।রি-এক্সামিনঃ মাথা ঠাণ্ডা রেখে আপনার ডিভাইস এর সিকিউরিটি চেক করুন। বোঝার চেষ্টা করুন কিভাবে ম্যালওয়্যার আপনার সিস্টেমে প্রবেশ করলো। যথাযথ বিশ্লেষণের পর সেই গ্যাপগুলো পুরণ করার চেষ্টা করুন।ছবিঃ সংগৃহীত

সন্দেহজনক ইমেইল পেলে কি করবেন
→ ডি এস এ

সবার আগে ইমেইলকে ম্যালওয়্যারের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ইমেইলের ব্যবহার বিধি সম্পর্কে ধারনা রাখুন।এন্ডপয়েন্ট এবং সার্ভার বেজড এন্টিভাইরাস স্ক্যানার ইন্সটল করুন। সাধারণত হ্যাকারের সৃষ্টি করা নতুন কোন ম্যালওয়্যার চিহ্নিত করতে এন্টি ভাইরাস ডাটাবেজের ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগে। তাই অপরিচিত কোন এটাচমেন্ট পাওয়ার পর স্ক্যানারের পূর্ণ উপযোগিতা পেতে এই সময়টুকু অপেক্ষা করুন। সাম্প্রতিক সময়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে অন্তত ১০ % এন্টিভাইরাস স্ক্যানার একটি থ্রেট ডেলিভার হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সনাক্ত করতে পারে। একারণে অনেক হ্যাকার পলিমরফিক ম্যালওয়্যার এপ্রোচ বেছে নেয়।মেশিন-লার্নিং ফাংশন ও রিয়েল টাইম IP স্ক্যানিং সমৃদ্ধ ইমেইল গেটওয়ে তৈরি করতে পারেন যা সন্দেহজনক ল্যাঙ্গুয়েজ বা সেন্ডারকে সনাক্ত করতে পারবে এবং আপনাকে এলার্ট করতে পারবে। অবশ্য এই গেটওয়ে যেন নেস্টেড আর্কাইভ ফাইল যেমন ZIP বা RAR ওপেন করতে পারে এবং সন্দেহজনক মেইলিসিয়াস প্রোগ্রামকে ব্লক করতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখুন। এছাড়া এন্ডপয়েন্টে বিভিন্ন ধরণের ম্যালওয়্যার সনাক্ত বা আক্রমণের হার বিবেচনায় এন্টিভাইরাসকে পৃথক একটি গেটওয়ে হিসেবে ব্যবহার করা ভালো।সন্তোষজনক ফলাফল পাওয়ার জন্য কোন সিকিউরিটি সল্যুউশন নেয়া ভালো যা একই সাথে ইমেইলের এটাচমেন্টও স্ক্যান করবে। ক্লাউডবেজড এসব সল্যুউশন ম্যালওয়্যার ডেলিভারির আগেই স্ট্যাটিক ও ডায়নামিক দুই ভাবেই এনালাইসিস করে। ছবিঃ সংগৃহীত

সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার উপায়
→ ডি এস এ

সোশ্যাল মিডিয়া বিশেষ করে ফেসবুক একাউন্ট খোলার সময় আপনার যে মোবাইল নম্বর বা ইমেইল এড্রেস ব্যবহার করবেন সেগুলো সবসময় চালু রাখুন। কেননা হ্যাকার আপনার একাউন্টের পাসওয়ার্ড বা ইমেইল এড্রেস পরিবর্তন করলে সাথে সাথেই ফেসবুক হতে ইমেইল পাঠিয়ে (একাউন্ট হোল্ডারকে) সতর্ক করে একটি রিকোভারি লিঙ্ক পাঠিয়ে দেয়; তাতে ক্লিক করে সহজেই হওয়া আইডি রিকভার করা সম্ভব।·  সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (F2A) অপশনটি চালু রাখুন। এজন্য ফেসবুকের সেটিংস অপশনে security and login অপশনে থাকা two-factor authentication এ গিয়ে মোবাইল নম্বর কিংবা ইমেইল যুক্ত করুন। ·   সরল/দুর্বল পাসওয়ার্ড ব্যবহার না করে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। ব্যক্তিগত তথ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট তথ্য (জন্মতারিখ, নিজের নাম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ইত্যাদি) পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।·    Capital letter, Small Letter, Number & Symbol মিলিয়ে কমপক্ষে ১২ ক্যারেক্টারের শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন।·    ফেসবুকের ক্ষেত্রে Trusted Contact এ ৩ থেকে ৫ জন ঘনিষ্ঠ ফেসবুক বন্ধুকে যুক্ত রাখুন। এর ফলে আইডি হ্যাক হয়ে গেলেও তা উদ্ধার করা সহজ হবে।·    সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট খোলার সময় জাতীয় পরিচয়পত্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নাম ও জন্মতারিখ ব্যবহার করুন। এতে আপনার আইডি হ্যাক হলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা সহজ হবে।·     জন্ম তারিখ, ফোন নাম্বারসহ অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য উন্মুক্ত রাখবেন না। এতে বিভিন্ন রকমের হয়রানি ও প্রতারণা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখা সহজ হবে।ফেসবুকের ক্ষেত্রে Privacy Settings অপশনটি ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি, পোস্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। প্রয়োজনে প্রোফাইল লক করে রাখুন।ছবিঃ সংগৃহীত 

অনলাইন শপিং এ প্রতারণা এড়াতে করণীয়
→ ডি এস এ

অনলাইনের শপিং এই সময়ের অন্যতম একটি ট্রেন্ড। মার্কেটে গিয়ে শপিং করার পাশাপশি অনলাইন শপিংও আজকাল জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কিন্তু এত বড় সুবিধার আড়ালে রয়েছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী যারা অনলাইন ব্যবসার নামে অন্যের টাকা আত্নসাত করে।ফেইসবুকে অসংখ্য অনলাইন শপিং পেইজ রয়েছে, যেগুলো নানা রকমের চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে লোকজনকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করে থাকে। এর মধ্যে কিছু পেইজ পাওয়া যায় যেগুলো কখনো কখনো এক ধরণের প্রোডাক্ট দেখিয়ে অন্য ধরনের প্রোডাক্ট বা নিম্নমানের প্রোডাক্ট ডেলিভারি দিয়ে থাকে। আবার, কিছু কিছু পেইজ পাওয়া যায় যেগুলো প্রোডাক্ট অর্ডারের জন্য অগ্রীম মূল্য পরিশোধ করার পরও কোন প্রোডাক্টই ডেলিভারি দেয় না। এক্ষেত্রে, আপনি যদি তাদের চ্যালেঞ্জ করেন তারা আপনার নম্বর বা একাউন্টটি ব্লক করে দিবে। এ ধরনের পেইজগুলো সাধারনত চালু হবার কিছুদিনের মধ্যেই অসংখ্য মানুষের নিকট হতে বিভিন্ন পরিমানের টাকা হাতিয়ে নিয়ে অ্যাকাউন্টটি হঠাৎ করে ডিএকটিভেট করে দেয়।করণীয়·         সুপরিচিত বা সুপ্রতিষ্ঠিত অনলাইন শপ ছাড়া অন্য কোন অনলাইন শপ থেকে কেনাকাটার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন। এক্ষেত্রে তাদের কাস্টমার রিভিউগুলো ভালভাবে পর্যবেক্ষণ করে নিতে পারেন।·         প্রতারণার শিকার হলে বিলম্ব না করে পুলিশকে অবগত করুন।ছবিঃ সংগৃহীত

ফেক আই ডি দিয়ে হ্যারাজমেন্টের শিকার হলে কি করবেন
→ ডি এস এ

ফেসবুকে ফেক আই ডি থেকে হ্যারাজমেন্টের শিকার হয়ে থাকেন। সাধারণত কোন ব্যক্তি নিজের পরিচয় গোপন রেখে এ ধরণের অপরাধ করে থাকেন। এটি এক ধরণের সাইবার ক্রাইম। অবশ্য শুধু ফেক আই ডি নয় অরিজিনাল আইডি ব্যবহার করেও অনেকে এ অপরাধ করে। আপনি যদি এ ধরণের কোন হ্যারাজমেন্টের শিকার হোন তাহলে সেই একাউন্টটি রিপোর্ট করতে পারেন।ফেসবুকের নিজস্ব রিপোর্ট প্রক্রিয়া আছে। সেখানে গিয়ে ফেক আইডি’র রিপোর্ট করলে ফেসবুক অথরিটি সেই একাউন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে। ফেসবুকের ফেক আই ডি রিপোর্ট করার নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করুন। ·        যে প্রোফাইলটি আপনি ফেক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন তার কভার ফটোর নিচে থাকা [...] এই বাটনটিতে ক্লিক করুন। এরপর Find Support or Report Profile সিলেক্ট করুন।·        বেশ কিছু অপশনসহ একটি নতুন উইন্ডো আসবে। সেখান থেকে আপনার পছন্দের অপশন সিলেক্ট করে Next বাটনে ক্লিক করুন।·    এরপর আপনি একটি কনফার্মেশন পাবেন যেখানে লেখা থাকবে যে আপনি সফলভাবে একাউন্টটিকে রিপোর্ট করেছেন। ফেসবুকে এ ধরণের রিপোর্টিং ফেসবুকে কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডের বিরোধী হিসেবে গণ্য করা হয় তবু একাধিক আকাউন্ট থেকে কোন আইডি বারবার রিপোর্ট করা হলে ঐ আইডিটি ফেসবুক থেকে ডিলিট করে দেয়া হয়। রিপোর্ট করা ছাড়াও আপনি ফেক আইডি থেকে বাঁচতে আইডি টি ব্লক করতে পারেন কিংবা ঐ ব্যক্তি থেকে আপনার সব পোস্ট হাইড করে রাখতে পারেন। ছবিঃ সংগৃহীত

করোনাকালে সাইবার সিকিউরিটি
→ ডি এস এ

কোভিড - ১৯ এর বৈশ্বিক প্রদুর্ভাবের কালে আপনারা অনেকেই হয়তো যোগাযোগের জন্য ভিডিও কল ব্যবহার করছেন। ভিডিও কনফারেন্সিং হয়তো আপনার কাছে নতুন কিংবা আপনি আগে থেকেই এর সাথে পরিচিত। ভিডিও কনফারেন্সিং এর সাথে আপনার সম্পর্ক যেমনি হোক না কেন এই আর্টিকেলটি ভিডিও কল সম্পর্কে আপনাকে নতুন কিছু ধারণা দেবে এমনটাই আশা রাখি।ভিডিও কনফারেন্সিং কিমোবাইল, ট্যাবলেট, ল্যাপটপ কিংবা ডেস্কটপ ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন স্থান থেকে দুই বা ততোধিক ব্যক্তির মাঝে সরাসরি অডিও ও ভিডিও কলের মাধ্যমে কথোপকথনকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলা হয়। কিছু কিছু ভিডিও কনফারেন্সিং সার্ভিস ইমেজ, ফাইলস এবং স্ক্রিন শেয়ারিং অপশনও দিয়ে থাকে। কোন কোন ডিভাইসে এই অপশনটি বিল্ট ইন আকারে থাকে (যেমনঃ ফেস টাইম), আবার কিছু জনপ্রিয় সোশ্যাল সাইটও এই সার্ভিসটি দিয়ে থাকে (যেমনঃ ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ এবং ইন্সটাগ্রাম)। এছাড়াও ভিডিও কনফারেন্সিং এর জন্য ডেডিকেটেড কিছু অ্যাপও রয়েছে যেগুলো আপনি আলাদাভাবে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন (যেমনঃ জুম, স্কাইপি, মাইক্রোসফট টিম ইত্যাদি)।ভিডিও কনফারেন্সিং সফটওয়্যার ডাউনলোডআপনি যদি ভিডিও কনফারেন্সিং এর জন্য কোন সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে চান তাহলে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখুন –·      বিশ্বস্ত সোর্স থেকে ডাউনলোড করুনঃ আপনার মোবাইল কিংবা ট্যাবলেটের অ্যাপ স্টোর থেকে (অ্যাপ স্টোর বা গুগল প্লে) থেকে কিংবা অ্যাপটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করুন। সার্চ রেজাল্টের সঙ্গে আসা এড এ ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন। এগুলো স্ক্যাম হতে পারে।  ·      কোন অ্যাপটি আপনার জন্য প্রযোজ্য তা অনলাইনে যাচাই করুনঃ অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভিডিও কনফারেন্সিং অ্যাপগুলোর ফ্রি ভার্সন দিয়েই আপনার প্রয়োজন পূরণ হয়ে যায়। তবে ক্ষেত্রে বিশেষে অ্যাপ গুলোর পেইড ভার্সন আপনাকে দেয় বাড়তি স্বাধীনতা। প্রয়োজন অনুযায়ী আপনি যে কোন সময় ফ্রি ভার্সন থেকে প্রিমিয়াম ভার্সনে যেতে পারেন।     ·      প্রাইভেসি সেটিংস চেক করুনঃ কাঙ্ক্ষিত অ্যাপটি ইন্সটল করার সময় আপনার কি কি ডাটা’র এক্সেস দিচ্ছেন তা খেয়াল করুন। কোন কোন ক্ষেত্রে আপনি এই ডাটা শেয়ারিং কন্ট্রোল করতে পারবেন।  ভিডিও কনফারেন্সিং এর সেটিংসভিডিও কনফারেন্সিং শুরু করার আগে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন –·      আপনার ভিডিও কনফারেন্সিং অ্যাপটি যেন একটি শক্ত পাসওয়ার্ড দ্বারা প্রোটেক্টেড থাকে সেটি নিশ্চিত করুন। ব্যবহৃত পাসওয়ার্ড টি যেন আপনার অন্যান্য পাসওয়ার্ডের থেকে আলাদা হয় এবং সহজে অনুমান করা না যায়। সম্ভব হলে আপনার একাউন্টে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সেট করুন। ·      কল শুরু করার আগে সম্ভব হলে একবার টেস্ট করুন। অধিকাংশ সার্ভিসেরই টেস্ট অপশন থাকে, বিশেষ করে আপনার মাইক্রোফোন ও ক্যামেরা ঠিকমত কাজ করছে কিনা তা টেস্ট করার জন্য। ইন্টারনেট কানেকশন ঠিকমত সাপোর্ট দিচ্ছে কিনা তাও পরীক্ষা করে নেয়া উচিত। এছাড়া অডিও মিউট করা বা ভিডিও অফ রেখে কানেক্টেড থাকা প্রভৃতি অপশনগুলো কল শুরুর আগে শিখে নিতে পারেন।·      যে অ্যাপটি ইন্সটল করেছেন তার ফাংশনগুলো সম্পর্কে জানুন। কল রেকর্ড, শেয়ার ফাইলস কিংবা স্ক্রিন শেয়ারিং এধরণের ফাংশন থাকলে সেগুলোর ব্যবহার জেনে নিন। এছাড়া আপনার কল রেকর্ড বা শেয়ার করা ফাইল কে বা কারা এক্সেস করতে পারবে সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখুন।হোস্টিং এন্ড জয়েনিং এ কলআপনার ভিডিও কনফারেন্স কলে কে জয়েন করতে পারবে বা কে পারবে না তা আপনিই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। প্রয়োজনে আপনার অ্যাপের ওয়েবসাইটে থাকা সাপোর্ট অংশটি দেখে নিন।·      আপনার কলটি যাতে পাবলিক না হয় তা খেয়াল রাখুন। কল করার জন্য আপনার কন্ট্যাক্ট লিস্ট ব্যবহার করুন কিংবা নির্দিষ্ট লিংক ব্যবহার করে কল এ জয়েন করুন। কোন কোন কনফারেন্সিং সার্ভিস কল এ জয়েন করার জন্য পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকে, এটি একটি নির্ভরযোগ্য অপশন যা ব্যবহার করে আপনি কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিদের সাথে যুক্ত হতে পারবেন।·      আপনি যদি কোন কল হোস্ট করেন তাহলে কে কে জয়েন করছে তা খেয়াল রাখুন। প্রয়োজন হলে যারা কলে জয়েন করছে তাদেরকে পরিচয় দিতে বলুন। অপরিচিত ফোন নাম্বার দিয়ে কেউ জয়েন করলে সে আপনার পরিচিত কিনা তা নিশ্চিত হয়ে নিন।·      আপনার পরিবেশ বিবেচনায় রাখুন। যখন আপনি কোন ভিডিও কলে যাচ্ছেন তখন আপনার আশেপাশের পরিবেশ মাথায় রাখুন। এমন অনেক কিছুই আছে যা হয়তো আপনি অন্যদের সাথে শেয়ার করতে চান না। সেক্ষেত্রে ভিডিও অপশন ডিজাবল রেখে কথোপকথন চালিয়ে যান। কিভাবে কল এ থাকা অবস্থায় ভিডিও ফিচার অন বা অফ রাখবেন তা শুরুতেই জেনে রাখুন।  এছাড়া আপনার ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশনটি আপডেট রাখুন। সফটওয়্যার আপডেট এমন একটি অপশন যা ব্যবহার করে আপনি নিজেকে অনলাইনে সুরক্ষিত রাখতে পারেন। আপডেট সংক্রান্ত নোটিফিকেশন এলে এড়িয়ে না গিয়ে আপনার অনলাইন সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য আপনার অ্যাপটি আপডেট করুন। পাশাপশি এই আপডেটের ফলে অ্যাপ্লিকেশনটির নতুন ফিচার অটোম্যাটিক্যালি আপনার একাউন্টে অ্যাড হয়ে যাবে।  ছবিঃ সংগৃহীত

অনলাইন গেমিং সতর্কতা
→ ডি এস এ

আমাদের অনেকেই অনলাইনে গেম খেলতে ভালোবাসেন। শুধু আমরাই কেন? বিশ্বজুড়ে প্রায় ১.২ বিলিয়ন ইউজার নিয়মিত অনলাইন গেমে লগ ইন করে থাকেন। কিন্তু আশঙ্কার বিষয় এই যে, অর্থের লোভে আমাদের ব্যক্তিগত ডাটা হাতিয়ে নেবার উদ্দ্যেশ্যে এসব অনলাইন গেমিং এ দুষ্কৃতিকারীরা ওঁত পেতে তাকে।আপনি যখন অনলাইনে গেম খেলছেন তখন নিম্নোক্ত বিষয়গুলো আপনার ও আপনার ডাটার সুরক্ষার কাজে আসবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। আপনি পিসি, কনসোল, ফোন কিংবা ট্যাবলেট যেখানেই গেম খেলুন না কেন এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আপনি নিশ্চিন্তে গেমিং চালিয়ে যেতে পারবেন।আপনার ডিভাইস সুরক্ষিত রাখুনঅধিকাংশ সাইবার এটাক আপনার ডিভাইস বা সফটওয়্যারের দুর্বলতার কারণে ঘটে থাকে। ব্যবহৃত সফটওয়্যারটি আপ টু ডেট রাখলে সহজেই এ সমস্যা এড়িয়ে চলতে পারেন। এজন্য আপনার অপারেটিং সফটওয়্যার ও অন্যান্য সফটওয়্যার গুলো নিয়মিত আপডেট করুন। খুব সহজ একটি উপায় হল অটোম্যাটিক আপডেট অন রাখা। একাউন্ট সুরক্ষাআপনার গেমিং একাউন্টটি একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দ্বারা সুরক্ষিত রাখুন। অন্য কোন একাউন্টে ব্যবহার করা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। যদি আপনার একাউন্টে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন অপশন এভেইলেবল থাকে তা ব্যবহার করুন, এটি আপনার একাউন্টকে একটি অতিরিক্ত লেয়ারে সুরক্ষা প্রদান করে।প্রাইভেসি প্রোটেকশনঅনলাইনে ব্যক্তিগত তথ্য প্রদানে সতর্ক থাকুন। খুব সীমিত পরিমাণ তথ্য দিন। অন্য কেউ যাতে আপনার ডাটা এক্সেস করতে না পারে এজন্য প্রাইভেসি সেটিংস এপ্লাই করুন। এবং গেমের অন্য প্লেয়ারদের কাছে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন। পুরনো গেম কনসোল বা ডিভাইস পরিবর্তন করার আগে সেখানে প্রদত্ত ডাটা ডিলিট করে দিন।অফিসিয়াল সোর্স বা স্টোর ব্যবহার করুনযখনই কোন ডিভাইস থেকে অনলাইনে গেম খেলবেন বা কোন গেম আপনার ডিভাইসে ইন্সটল করবেন গেমের সোর্স ভেরিফাই করুন। সহজ একটি উপায় হল গেমটির অফিসিয়াল সাইটে গিয়ে খেলা বা অফিসিয়াল সাইট থেকে গেমের অ্যাপ ইন্সটল করা।অনলাইন গেমিং এ সাইবার এটাক মূলত গেমের বাইরে থেকেই বেশি ঘটে। যেমন আপনি চেনেন না এমন কোন প্লেয়ার আপনাকে গেমটি আপগ্রেড করার জন্য বলতে পারে। কিংবা আপনাকে কোন লিংক শেয়ার করে সেখানে ক্লিক করতে বলতে পারে। এ ধরণের অফার ফিশিং মেইল থেকে আসতে পারে। গেমের অফিসিয়াল সোর্স থেকে গেম খেললে বা গেম ইন্সটল করলে এ ধরণের তৃতীয় পক্ষের আক্রমণ এড়ানো যায়।     ছবিঃ সংগৃহীত 

হোম অফিস
→ ডি এস এ

করোনাভাইরাস চলাকালে অনেক প্রতিষ্ঠানই তাদের অফিসিয়াল কার্যক্রম অব্যহত রাখতে চালু করেছে অফিস ফ্রম হোম পদ্ধতি। লকডাউনে ঘরে বসেই অফিস করছেন অনেক চাকুরীজীবি। কিন্তু অনেকেই হয়তো অবগত নয় যে হোম অফিস সাইবার সিকিউরিটির ক্ষেত্রে একটি নতুন চ্যালেঞ্জ। এই নিবন্ধে আমরা আলোচনা করবো কিভাবে হোম অফিসেও আপনি আপনার সাইবার সিকিউরিটি নিশ্চিত করবেন।যদিও কারো কারো ক্ষেত্রে ঘরে অফিস করাটা নতুন নয় তবু এই করোনাভাইরাসের প্রাক্কালে বড় পরিসরে অফিসের সমস্ত কর্মকর্তা – কর্মচারী মিলে বাসায় অফিস করাটা সামগ্রিকভাবে নতুন একটি ধারণা। যারা পুর্বে বাসায় বসে অফিস করেনি তারা হঠাত করে আতকে উঠতে পারেন যে কিভাবে সম্ভব এটি! রিমোটলি অফিস স্থানান্তরের পুর্বে আপনার অফিসের উপযোগী কি ধরণের সার্ভিস যুক্ত হবে বা কোন সার্ভিসটি সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন এ বিষয়টি পর্যালোচনা করুন। নিম্নে হোম অফিসের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু দিকনির্দেশনা আলোকপাত করা হল –·      রিমোট অফিসের কার্যক্রম পরিচলনার জন্য আপনার কর্মীদের জন্য নতুন একাউন্ট ও এক্সেস পয়েন্ট তৈরি করতে হতে পারে। সেক্ষত্রে উইজার একাউন্টের জন্য শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন।·      অফিসে যেসকল সফটওয়্যার ব্যবহার করা হত হোম অফিসের ক্ষেত্রে রিমোট ইউজারদের হয়তো ভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করা লাগতে পারে। এসব সফটওয়্যার সঠিকভাবে ব্যবহারের জন্য লিখিত নির্দেশনা তৈরি করে কর্মীদের মধ্যে বিতরণ করা যেতে পারে।·      কর্মীদের দক্ষতা অনুসারে বিভিন্ন কাজের জন্য ‘হাউ টু ডু’ গাইডলাইন তৈরি করা যেতে পারে। এতে হেল্প রিকোয়েস্ট কমিয়ে কাজের গতি ঠিক রাখা সহজতর হয়।·      খেয়াল রাখা উচিত যে, করোভাইরাসের কারণে কর্মীরা স্বভাবিকভাবেই নানান মানসিক চাপে রয়েছেন। এর মধ্যে নতুন টেকনোলোজি শেখার বিষয়ে তারা হয়তো তাদের সহকর্মিকে ততটা বিরক্ত করতে চাইবে না যতটা স্বাভাবিক অফিসে করতে পারত। তাই কর্মিরা পরিবর্তিত প্রযুক্তির সাথে নিজেদের কতটা মানিয়ে নিতে পারছেন তা মনিটর করুন।·      বাসায় অফিসের কারণে অনেকের ডিভাইসে সমস্যা দেখা দিতে পারে। ডিভাইস চুরি হতে পারে, নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রতিদিনকার কাজের ব্যাক আপ রাখার অভ্যাস করতে হবে।·      যে কোন ধরণের প্রযুক্তিগত সমস্যায় আপনার কর্মীরা যাতে আপনাকে রিপোর্ট করে সে ব্যাপারে তাদের উৎসাহিত করুন।·      আপনার প্রতিষ্ঠানের আইটি রিসোর্স এক্সেস করার জন্য আপনার কর্মীদের ভিপিএন ব্যবহার করার ক্ষেত্রে উদ্বুদ্ধ করুন। এতে সাইবার এটাক থেকে আপনার ডাটা অনেক বেশি সুরক্ষিত থাকবে।     ·      ঘরে অফিসের ক্ষেত্রে বাচ্চারা কর্মীদের ডিভাইসের আশেপাশে আসার সুযোগ পায়। কোন কোন ক্ষেত্রে বাচ্চারা ডিভাইস নিয়ে খেলতে গিয়ে তার ক্ষতিসাধন করতে পারে। শিশুদের নাগালের বাইরে নিরাপদ জায়গায় ডিভাইস সেট আপ করার পরামর্শ দিন।·      রিমুভেবল ডিভাইস বা ইউ এস বি ডিভাইস ব্যবহার করা থেকে আপাতত বিরত থাকুন। এতে আপনার সিস্টেমে মেলওয়্যার প্রবেশ করার সুযোগ পায়। ফাইল ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে অনলাইন স্টোরেজ ব্যবহার করুন।হোম অফিস একটি পরিবর্তিত সময়ে আবিষ্কৃত একটি অস্থায়ী সমাধান। এ পদ্ধতির সঠিক ব্যবহার আপনার প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম যেমন স্বাভাবিক করতে পারে তেমনি ভিন্ন ভিন্ন দক্ষতার কর্মীদের জন্য এটি চ্যালেঞ্জও হতে পারে। এজন্য কর্মীদের মধ্যে প্রযুক্তিগত জ্ঞানের সমন্বয় নিশ্চিত করুন। ভার্বাল সল্যিউশনের থেকে লিখিত নির্দেশনা বা ম্যানুয়াল এ সময়ে ব্যাপক কাজে দেবে। কর্মীদের পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নিতে সাহায্য করুন।ছবিঃ সংগৃহীত

মুভিং ফিজিক্যাল টু ডিজিটাল
→ ডি এস এ

কোভিড – ১৯ অনেক ব্যবসারই ফিজিক্যাল প্রেমিজ বন্ধ করতে বাধ্য করেছে, বাধ্য করেছে ঘরে ঢুকতে। অফিস এখন চলছে অনলাইনে, চলছে কেনাকাটাও। রাতারাতি অনলাইন নির্ভর হয়ে পড়েছি আমরা সবাই। অন্যান্য অফিসের তুলনায় আই টি অফিসগুলোতে এই পরিবর্তন চোখে পড়ার মত। আই টি সেক্টরের ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীগণ এই পরিবর্তিত সময়ে কিভাবে সাইবার সিকিউরিটি নিশ্চিত রাখাবেন এ যেন এক প্রশ্ন। এই নিবন্ধে আমরা জানব ফিজিক্যাল থেকে ডিজিটাল এই শিফটের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এবং সম্ভাব্য সমাধানসমূহ সম্পর্কে।নতুন কর্মপদ্ধতিঃ অনলাইনে বিজনেস স্থানান্তর মানে নতুন রিস্ক। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলে একটি অল্টারনেটিভ কাজের পদ্ধতি প্রতিষ্ঠা করা।নতুন নির্ভরশীলতাঃ অনলাইনে কাজ করা মানে আরও অধিক ডিজিটাল প্রযুক্তির সংস্পর্শে আসা। ওয়েব হোস্টিং, ক্রেডিট কার্ড প্রোসেসিং, ইমেইল, ভিডিওচ চ্যাট ইত্যকার নানা প্রযুক্তির উপর আগের চেয়ে বেশি নির্ভরশীল হওয়া। সেক্ষেত্রে আপনার অফিসের বিদ্যমান সেট আপ কি এই বাড়তি চাপ নিতে সক্ষম? বাড়তি ওয়েব ট্রাফিকের উপযোগী ব্যান্ডউইথ আপনার আছে তো? পর্যাপ্ত ক্লাউড স্টোরেজ? আপনি কি নিয়মিত ডাটা ব্যাক আপ নিচ্ছেন? আপনার কি পর্যাপ্ত আইটি সাপোর্ট রয়েছে?ডিভাইস ও সার্ভিসের সুরক্ষাঃ আপনি হয়তো ইতোমধ্যে আপনার অফিস অনলাইনে শিফট করেও ফেলেছেন। তবু প্রাত্যহিক কাজের প্রকৃতিতে নিশ্চয়ই এক ধরণের পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন। যেমন আপনার প্রতিষ্ঠানের কোন কর্মী যিনি হয়তো তার নিজের ডিভাইস ব্যবহার করে কাজ কাজ করতে চাইছেন সেটা নিশ্চয়ই একটা চ্যালেঞ্জ; কেননা তার ব্যক্তিগত ডিভাইস দ্বারা কাজ করা আদৌ কতটুকু সম্ভব সেটা একটা বিষয়, পাশাপাশি সেই ডিভাইসের কম্প্যাটিবিলিটিও আপনার কনসার্ন হওয়া উচিত।সাইবার সুরক্ষাঃ আপনার সামগ্রিক ব্যবসার জন্য সাইবার সিকিউরিটি একটু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ধরুন এভাবে আরও দীর্ঘদিন যদি আপনাকে হোম অফিস কন্টিনিউ করতে হয় আপনি কি আপনার বিজনেস অনলাইনে শিফট করা বা এক্সটেন্ড করার কথা ভাববেন? আপনার সেই ক্যাপাসিটি তৈরি করতে হবে সে ধরণের পরিবর্তিত পরিস্থিতির জন্য। ক্লাউড সার্ভিস অলরেডি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে এ ধরণের ক্রান্তিকালীন পরিস্থিতিতে পর্যাপ্ত অনলাইন স্টোরেজ সাপোর্ট প্রদান করার উদ্দেশ্যে। সিকিউরিটির দিক দিয়ে ক্লাউড সার্ভিস একটি নির্ভরযোগ্য সমাধান। কিন্তু তারপরও আপনার ডাটার সুরক্ষার দায়িত্ব আপনার। আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় ও পর্যাপ্ত ক্লাউড ফ্যাসিলিটি আছে তো?বেসলাইন তৈরি করুনঃ অনলাইনে বিজনেস শিফট করার ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো একটি পুর্ণাংগ বেসলাইন তৈরিতে আপনাকে সহায়তা করবে।আপনার অফিসের বিদ্যমান প্রযুক্তিগুলো চিহ্নিত করুন। যেমনঃ আপনার অফিসের আই টি এসেটসমূহ কি কি? এসব প্রযুক্তির সুরক্ষা কি আপনার হাতে নাকি কোন সার্ভিস প্রোভাইডার আছে? আপনি কি কোন ক্লাউড সার্ভিস ব্যবহার করছেন?আপনার কি আই টি সাপোর্ট এভেইলেবল রয়েছে?কি ধরণের সাইবার সিকিউরিটি আপনি ব্যবহার করছেন?প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আপনি কি কোন রেগুলেশন ফলো করছেন?আই টি সার্ভিস প্রোভাইডারের সহায়তাঃ ডিজিটাল অফিসের ক্ষেত্রে আপনার নিম্নোক্ত আই টি সার্ভিস সমূহ প্রয়োজন। এগুলো কিভাবে নিশ্চিত করবেন তা ভেবে দেখুন –প্যাচিং এন্ড আপডেটব্যাক আপএক্সেসলগসইন্সিডেন্ট রেসপন্সআপনার ব্যবসাকে ফিজিক্যাল থেকে ডিজিটালে শিফট করার জন্য প্রয়োজনীয় সাইবার সুরক্ষা আপনার ব্যবসাকে যেমন আত্ববিশ্বাসী আর টেকসই রাখতে সাহায্য করবে তেমনি আপনার গ্রাহকদের কাছে আপনার ভাবমুর্তিও উজ্জ্বল রাখবে। যে কোন ধরণের সিকিউরিটির সমস্যা দেখলে আই টি সাপোর্টের সহায়তা নিন। ছবিঃ সংগৃহীত

সাইবার সিকিউরিটি রিস্ক ম্যানেজমেন্ট
→ ডি এস এ

আমরা এমন একটি সময়ে বসবাস করছি যেখানে ব্যক্তি, সমাজ, এমনকি আমাদের অর্থনীতি ডিজিটাল প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলছে। ক্রমবিবর্তমান এই প্রযুক্তি আমাদের বিজ্ঞান, অর্থিনীতি, যোগাযোগ সহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকান্ডকে প্রভাবিত করছে। এর ফলে ডিজিটাল প্রযুক্তির উপর আমাদের নির্ভরশীলতা আগের চেয়ে অনেকাংশে বেড়ে গেছে। এবং পাশাপাশি একটি প্রশ্নও আমাদের সামনে হাজির করেছে, আর তা হল – এই প্রযুক্তি কতটা নির্ভরযোগ্য। প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকেই তাদের প্রযুক্তির রক্ষণাবেক্ষণ ও সুরক্ষার জন্য সময় দিতে হয়। তারচেয়ে গুরত্বপুর্ণ হল এই প্রযুক্তি ও সার্ভিসের নিরাপত্তার বিষয়টি আপনি কতটা গুরুত্ব সহকারে দেখছেন। রিস্ক ম্যানেজমেন্টের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে আপনাকে এই গুরুত্ব সম্পর্কে অবহিত করা এবং উন্নতিসাধনে উদ্বুদ্ধ করা। রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টেকনিকএই নির্দেশনায় আমরা দুটি ভিন্ন উপায়ে রিস্ক ম্যানেজমেন্টের বিষয়টি খতিয়ে দেখব।·     কম্পোনেন্ট ড্রিভেনঃ এ অংশে টেকনিক্যাল কম্পোনেন্ট এবং সেগুলোর ঝুঁকি নিয়ে আলোকপাত করা হবে। ·     সিস্টেম ড্রিভেনঃ সামগ্রিক সিস্টেমকে বিশ্লেষণ করার মধ্য দিয়ে রিস্ক পরিমাপ করা হবে।উল্লেখ্য থাকে যে, রিস্ক ম্যানেজমেন্টের জন্য আমরা কোন স্টেপ বাই স্টেপ নির্দেশনা প্রদান করব না। বরং প্রত্যেক টেকনিকের কোর কনসেপ্ট নিয়ে আলোচনা করব।‘টিক-বক্স’ রিস্ক ম্যানেজমেন্টের যেখানে শেষরিস্ক ম্যানেজমেন্টের দ্বিতীয় কিস্তিতে আমরা যখন ‘রিস্ক ম্যানেজমেন্টের মূল কথা’ বা ‘ফান্ডামেন্টালস অফ রিস্ক’ দেখব তখন জানব যে কিভাবে শুধুমাত্র ‘কমপ্ল্যায়েন্স’ এর উদ্দেশ্যে পরিচালিত রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ‘টিক-বক্স’ এ সীমিত এবং যেখানে প্রকৃতপক্ষে কোন নেতিবাচক পরিণতির কথা চিন্তাও করা হয় না। এর ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো সঠিক বক্সে টিক দিয়েছে কিনা এ প্রশ্ন থেকে রেহাই পায় এবং রিস্ক ম্যানেজমেন্টে তারা কতটা দক্ষ তা প্রকাশ করে থাকে।এ কারণেই বলা যে, এই নির্দেশনা কোন পর্যায়ক্রমিক ইন্সট্রাকশন নয় বরং প্রচলিত টেকনিকগুলোর গভীর অনুসন্ধান। বলা বাহুল্য যে, এই টিক বক্স টেকনিক আসলে টেকনিক না থাকারই সামিল। একারণে আমরা এই নিবন্ধে বিভিন্ন রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টেকনিক নিয়ে আলোচনা করব। মনে রাখবেন কোন একটি টেকনিক সব ধরণের ঝুঁকির জন্য প্রযোজ্য নাও হতে পারে। কোন নির্দিষ্ট সমস্যায় ব্যবহৃত টেকনিক আপনি এজন্য ব্যবহার করবেন না যে তা নির্দেশনায় বলা আছে বরং আপনার যৌক্তিকতা থাকতে হবে কেন আপনি উক্ত টেকনিকটি ব্যবহার করছেন।  ছবিঃ সংগৃহীত

টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন
→ ডি এস এ

এই আর্টিকেলে আপনারা জানতে পারবেন কিভাবে আপনার গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন একাউন্টে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সেট করতে পারবেন। এটি করার ফলে অনলাইন ক্রিমিনালদের পক্ষে আপনার একাউন্টের এক্সেস পাওয়া অনেক কঠিন হবে, এমনকি কেউ যদি আপনার পাসওয়ার্ডও জেনে ফেলে তবুও।টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন কি?টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন যা 2FA নামেও পরিচিত এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আপনি যখন কোন অনলাইন সার্ভিস যেমন ব্যাংকিং, ইমেইল কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করবেন তখন এটি যে নিশ্চিতভাবে আপনিই তা ডাবল চেকিং এর মাধ্যমে ভেরিফাই করা হয়। যখন আপনি টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সেট করবেন তখন আপনার কাছে একটি সেকেন্ড ফ্যাক্টর চাওয়া হবে যা কেবলমাত্র আপনি নিজে এক্সেস করতে পারবেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটি একটি কোড হয়ে থাকে যা আপনাকে টেক্সট মেসেজের আকারে প্রেরণ করা হয়।কেন টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যবহার করবেন?অনেক ক্ষেত্রে সাইবার ক্রিমিনালরা আপনার পাসওয়ার্ড চুরি করতে পারে যা দিয়ে তারা আপনার একাউন্টের অনলাইন পেতে পারে। কিন্তু আপনি যদি আপনার একাউন্টে 2FA সেট করেন তাহলে আপনার পাসওয়ার্ড ছাড়া আরও এক স্তরে চেকিং প্রয়োজন হয় যা একান্ত আপনি ছাড়া আর কারও জানা সম্ভব নয়। এতে করে পাসওয়ার্ড জানার পরও কোন ক্রিমিনাল আপনার একাউন্টের এক্সেস পেতে ব্যর্থ হবে। তবে সব ধরণের অনলাইন একাউন্টে 2FA সেট করা সম্ভব নয়। হাই ভেল্যু একাউন্ট বা গুরত্বপূর্ণ একাউন্টেই কেবল 2FA সেট করা হয়।কিভাবে 2FA সেট করবেন?কিছু অনলাইন সার্ভিসে অলরেডি 2FA সুইচ অন্য করা আছে। বিশেষ করে আপনার ক্রেডিট কার্ড ও অন্যান্য ক্যাশ কার্ডগুলোতে। যদি আপনার একাউন্টের 2FA সুইচ অফ করা থাকে সেক্ষেত্রে আপনাকে এসকল একাউন্টের 2FA সুইচ অন্য করে নিতে হবে। যেমন ইমেইল, সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট কিংবা ক্লাউড স্টোরেজ ইত্যাদি। আপনার একাউন্টে 2FA সেট আপ অপশন এভেইলেবল থাকলে তা আপনার একাউন্টের সিকিউরিটি সেটিংস এ খুঁজে পাবেন।2FA সুইচ অন্য করার পর উক্ত একাউন্টের এক্সেস পাওয়ার জন্য আপনার কাছ একটি সেকেন্ড ফ্যাক্টর চাওয়া হবে। সাধারণত টেক্সট মেসেজের মাধ্যমে এই সেকেন্ড ফ্যাক্টরটি আপনার সাথে শেয়ার করা হয়।     2FA এভেইলেবল না থাকলেসাধারণত গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন একাউন্ট যেখানে আপনি আপনার ব্যক্তিগত তথ্য জমা রাখছেন বা মানি ট্রাকজিকশন করছেন প্রভৃতিতে 2FA এভেইলেবল থাকে। কিন্তু কোন কারণে আপনার সার্ভিসে 2FA না থাকলে আপনার একাউন্টের জন্য একটি ইউনিক ও শক্তিশালী পাসওয়ার্ড সেট করুন। ছবিঃ সংগৃহীত 

ই ইউ ডি (এন্ড ইউজার ডিভাইস) সিকিউরিটি
→ ডি এস এ

আপনি যে ডিভাইস ব্যবহার করছেন এবং আপনার প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা এ দু’য়ের সাথে মিল রেখে এই নির্দেশনা কাজে লাগাবেন। যদিও কোন কোন নির্দেশনা সব ধরণের ডিভাইসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কিছু পরামর্শঅধিকাংশ ক্ষেত্রে আপনার কাজের ভিভাইসটি আপনার প্রতিষ্ঠানের সিস্টেম এডমিনিস্ট্রেটর কনফিগার করে থাকেন। এই সেটিংস পরিবর্তন করলে আপনি আপনার এবং আপনার প্রতিষ্ঠানের তথ্যকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারেন। আপনার কোন সেটিংস বুঝতে সমস্যা হলে আপনার প্রতিষ্ঠানের আইটি সাপোর্টের সাথে কথা বলুন।আপনার কাজের যন্ত্রটি খুবই মূল্যবান এবং তথ্য চোরের কাছেও খুব লোভের। তাই তথ্য চুরি যাওয়া রোধে সতর্ক থাকুন। নিজে থেকে কোন রিস্ক নেবেন না। কোন ইনসিকিউরড যায়গায় ডিভাইসটি ফেলে আসবেন না বা হারিয়ে ফেলবেন না। সম্ভব হলে কাজ শেষে ডিভাইসটি লক করে রাখুন। ডিভাইস হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে অতি দ্রুত আপনার আই টি সাপোর্টকে অবহিত করুন। যত দ্রুত আপনি আপনার আইটি কর্মীকে আপনার ডিভাইসের হারিয়ে যাওয়ার কথা বলবেন তত দ্রুত আপনার তথ্য রক্ষা পাবে।ফিজিক্যাল কানেকশনঅফিস অনুমোদন করে কেবল এমন ডিভাইসই অফিসে ব্যবহার করা উচিৎ। এবং নির্ভরযোগ্য পাওয়ার পাওয়ার এডাপ্টার ও ক্যাবল দিয়ে আপনার ডিভাইস চার্জ দিন। অনুমতি না নিয়ে যে কোন কম্পিউটারে ডিভাইস কানেক্ট করবেন না। এমনকি USB, HDMI, Firewire কানেক্ট করার সময়ও আপনার আই টি হেল্পডেস্কের সাথে কথা বলে নিন। কানেকশান ব্রিজ হিসেবে কাজ করতে পারে এমন কোন কিছুর সাথে ডিভাইস কানেক্ট করার আগে অবশ্যই আইটি’র এপ্রুভাল নিন।পাসওয়ার্ডকোন কারণেই আপনার পাসওয়ার্ড আপনার আই টি সাপোর্ট স্টাফ, ম্যানেজার অথবা কোন কলিগ কারও সাথে শেয়ার করা উচিৎ নয়। তা সে ইমেইলে হোক বা ইনবক্সে হোক। আপনি পাসওয়ার্ড নিজে মনে রাখার জন্য লিখে রাখতে পারেন, কিন্তু সেটা অবশ্যই কোন নিরাপদ স্থানে রাখতে হবে। যেমন ধরুন, আপনি পাসওয়ার্ডটি একটি কাগজে লিখে সেটা একটা খামের মধ্যে ঢুকিয়ে কোন ড্রয়ারে লক করে রেখে দিলে এটি আর কেউ জানতে পারবেনা। মনে রাখবেন, কোন ভাবেই পাসওয়ার্ড কোন কপি আপনার ডিভাইসে না থাকে। আপনি কি ধরণের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন সে সম্পর্কে আপনার অফিসের গাইডলাইন থাকতে তবে মুল শর্ত হচ্ছে এটা যেন কেউ অনুমান করে বের করতে না পারেন এমন শক্তিশালী পাসওয়ার্ড সেট করুন।দেশের বাইরে গেলেঅফিসের প্রয়োজনে আপনাকে মাঝে মধ্যে দেশের বাইরে যেতে হতে পারে। এসময় আপনার ডিভাইস ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটু বেশিই সতর্ক থাকতে হবে। ডিভাইসটি এবং ডিভাইসের কোন তথ্য যাতে চুরি না যায় এজন্য প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।যদি কিছু ঘটে·         অস্বভাবিক কোন কিছু ঘটলে বা কোন বিপদের আশঙ্কা দেখলে দ্রুত পদক্ষেপ নিন।·         কেউ আপনার পাসওয়ার্ড জেনে গেছে এমন সন্দেহ হওয়া মাত্র পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন। এক্ষেত্রে আপনার ডিভাইস কাছে না থাকলে আইটি হেল্পডেস্ককের সহায়তা নিন।·         আপনি পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে আইটি হেল্পডেস্ককে জানান, তারা প্রথমে আই পরিচিতি যাচাই করে পাসওয়ার্ড পরিবর্তনে সাহায্য করতে পারবে।·         আপনার ব্যবহৃত ডিভাইসটি ঠিকমত কাজ না করলে বা ব্যাটারি লাইফ শেষ হয়ে গেলে আইটি সাপোর্টকে জানান।·         সমস্যায় পরলে বাইরের কোন রিপেয়ার শপেই প্রথমে না গিয়ে আইটি সাপোর্টের পরামর্শ গ্রহণ করুন। ·         কেউ আপনার ডিভাইসটি টেম্পারিং করেছে (অর্থাৎ ডিভাইসের ভেতরের যন্ত্রাংশ পরিবর্তন করেছে)·         এমন সন্দেহ হলে ডিভাইসটি ব্যবহার করা বন্ধ করে দিন এবং আপনার আইটি কনসার্নকে জানান।  আপনার ডিভাইস আপনার কাছে যতটা মূল্যবান সাইবার ক্রিমিনালদের কাছে ততটাই মূল্যবান। তাই এর সুরক্ষার জন্য আপনাকে একটু দায়িত্ববান তো হতেই হবে।  ছবিঃ সংগৃহীত 

হেল্প ডেস্ক