ডিএসএ সম্পর্কে

হোম » ডিএসএ সম্পর্কে

ইতিহাস

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ধারা ৫ অনুযায়ী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন দেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০১৮ সালের ৫ ডিসেম্বর “ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সি গঠিত হয়েছে এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ধারা ১২ অনুযায়ী ডিজিটাল নিরাপত্তা কাউন্সিল গঠিত হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। পরিবর্তনশীল আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলাতে আগ্রহী বাংলাদেশ সরকার এবং উচ্চ নীতি-নির্ধারণকারীগণ ডিজিটাল নিরাপত্তার গুরুত্বকে অনুধাবন করেই “ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সি” গঠন করেন। একটি নিরাপদ ডিজিটাল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয় সাধন, প্রয়োজনীয় সহায়তা ও নির্দেশনা প্রদান করাই ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সি’র উদ্দেশ্য।

ভিশন

বাংলাদেশর জন্য একটি নিরাপদ সাইবার স্পেস।

মিশন

জাতীয় নিরাপত্তা, ডিজিটাল অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা এবং ডিজিটাল জীবনযাত্রাকে সুরক্ষার মাধ্যমে নিরাপদ সাইবার স্পেস প্রতিষ্ঠা করা।

 

প্রধান কার্যাবলি

(ক) দেশে ডিজিটাল ডিভাইস ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ দমন সংক্রান্ত কার্যক্রমের সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ করা এবং যে কোন তথ্য প্রযুক্তি সংক্রান্ত রাষ্ট্রীয় সংকটকালীন সময়ে সংকট মোকাবেলার  নিমিত্ত সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা;

(খ) গুরুত্বপূর্ণ ও সংকটাপন্ন তথ্য পরিকাঠামো (CII) এর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে পরিদর্শন করা এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা;

(গ) তথ্য প্রযুক্তি ভিত্তিক হুমকি মোকাবেলা এবং এ সংক্রান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষে কর্মকৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এবং জাতীয় অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;

(ঘ) ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ সংক্রান্ত বিভিন্ন সংস্থার CIRT, Forensic Lab গঠনের নির্দেশনা ও অনুমোদন প্রদান করা এবং কম্পিউটার ইমার্জেন্সী রেসপন্স টিমসমূহের মধ্যে সমন্বয় সাধন ও  তত্ত্বাবধান করা;

(ঙ) ডিজিটাল নিরাপত্তা সংক্রান্ত কার্যক্রম বাস্তবায়নের নিমিত্ত বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানকে পরামর্শ ও নির্দেশনা প্রদান করা এবং ডিজিটাল সিকিউরিটির প্রতি হুমকির উৎস অভ্যন্তরীণ নাকি আন্তর্জাতিক তা পর্যবেক্ষণ করা এবং সংশ্লিষ্টদের এই বিষয়ে অবহিত করা;

(চ) জাতীয় নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, বহি: সম্পর্ক , জনস্বাস্থ্য ,জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা অথবা প্রয়োজনীয় এবং অপরিহার্য সেবার প্রতি ডিজিটাল সিকিউরিটির হুমকি বিষয়ে সক্রিয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা;

(ছ) গুরত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো চিহ্নিতকরণ এবং তা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিয়োজিত ব্যক্তি/মালিককে এর নিরাপত্তা বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশনা প্রদান করা;

(জ) ডিজিটাল সিকিউরিটি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুরত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর মালিক ও রক্ষণাবেক্ষণ এর জন্য নিয়োজিত ব্যক্তির জন্য নির্দেশিকা প্রণয়ন এবং তা প্রতিপালনের জন্য নির্দিষ্ট মানদন্ড প্রস্তুত করা;

(ঝ) ডিজিটাল সিকিউরিটি সংক্রান্ত বিষয়ে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে সরকারের প্রতিনিধিত্ব করা;

(ঞ) ডিজিটাল সিকিউরিটি সংক্রান্ত ঘটনার বিষয়ে অন্যান্য দেশ ও অঞ্চলের CIRT কে সহায়তা প্রদান করা;

(ট) ডিজিটাল সিকিউরিটি সার্ভিস প্রদানকারীদের লাইসেন্স প্রদান এবং সিকিউরিটি সার্ভিসের মানদন্ড নির্ধারণ করা এবং দেশে ডিজিটাল সিকিউরিটি সার্ভিস শিল্পের প্রচার, প্রসার ও উন্নয়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করা;

(ঠ) ডিজিটাল সিকিউরিটি সংক্রান্ত সার্ভিস, পণ্য এবং এতদসংক্রান্ত বিষয়ে ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের মান নির্ধারণ করা। এছাড়া ও ডিজিটাল সিকিউরিটি সংক্রান্ত শিল্পের সাথে জড়িত ব্যাক্তিদের পেশাগত উৎকর্ষ বজায় রাখা এবং উন্নতি ও অগ্রগতিতে সহায়তা প্রদান করা;

(ড) ডিজিটাল সিকিউরিটি সংক্রান্ত প্রযুক্তি , গবেষণা ও সার্বিক উন্নয়নে সহায়তা প্রদান করা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিদেশী সরকারের সাথে সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে চুক্তি সম্পাদন, তথ্য আদান-প্রদান ও সহযোগিতা করা;

(ঢ) কম্পিউটার ও কম্পিউটার সিস্টেমের নিরাপত্তা তদারকি ও এ বিয়য়ে সক্ষমতা বৃদ্ধি করা;

(ণ) ডিজিটাল নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও সেমিনারের আয়োজন ও জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা;

(ত) জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের সভা আয়োজন ও সাচিবিক সহযোগিতা করা;

(থ) ডিজিটাল নিরাপত্তা সক্রান্ত অন্যান্য কার্যক্রম সম্পাদন করা;

(দ) ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর বাস্তবায়ন তদারকি এবং এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন সরকারের নিকট দাখিল করা।

 

হেল্প ডেস্ক